রুহুল আমিন: তাহেরপুর ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সোনারগাঁও উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম পাটোয়ারী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ জেলা জামায়াত গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।
সোমবার (০৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় কুমিল্লার পিপলস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
মাওলানা নাজমুল ইসলাম পাটোয়ারীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান এক যৌথ শোকবাণী প্রকাশ করেছেন।
শোকবাণীতে তারা বলেন, “মাওলানা নাজমুল ইসলাম পাটোয়ারী একজন প্রকৃত আলেমে দীন হিসেবে দীনের খেদমতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। জামায়াতে ইসলামী সোনারগাঁও উপজেলা সেক্রেটারি হিসেবে তিনি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। অল্প বয়সে তিনি কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক কষ্ট ভোগ করেছেন। আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তার এই কষ্টকে গুণাহ মাফের উছিলাহ হিসেবে কবুল করেন।”
তারা আরও বলেন, “মরহুমের কোনো পুত্রসন্তান নেই। তিনি তিন কন্যা, জামাতা, স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। আমরা তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি তিনি যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন।”
মাওলানা নাজমুল ইসলাম পাটোয়ারীর ইন্তেকালে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার অবদান সোনারগাঁওয়ের ধর্মীয় ও শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, মাওলানা নাজমুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতাসহ নানাবিধ রোগে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, নাতি-নাতনি এবং বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বিকাল ৫টায় সোনারগাঁও উপজেলার সাদিপুর মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদের সামনে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে সাদিপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তার পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর জেলায় হলেও কর্মজীবনের শুরু থেকে তিনি সোনারগাঁওয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি তাহেরপুর ফাযিল মাদরাসায় অধ্যাপনার পাশাপাশি বস্তল জামে মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর সোনারগাঁও উপজেলার কর্মপরিষদ সদস্য ছিলেন। তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল সাদিপুর আলিম মাদরাসার পাশে মোল্লাবাড়ি করবস্থানে দাফন করা হয়।








