পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ৩২ বস্তা টাকা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ৩২ বস্তা টাকা। এখন চলছে গণনা।

এর আগে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল এ মসজিদের দান বাক্সে ৪ মাস ১২ দিনে পাওয়া গিয়েছিল ২৮ বস্তা টাকা। দিন শেষে গণনা করে যার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রূপার অলঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। এবার অনলাইনেও দানের টাকা জমা পড়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭ টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও এসময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পরে ৩২টি বস্তায় ভরে এসব টাকা নেওয়া হয় ওই মসজিদের দোতলায়। টাকা ছাড়াও বরাবরের মতো স্বর্ণ, রুপা, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে এসব দান সিন্ধুকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহীনির কড়া নিরাপত্তায় টাকা গণনা কাজে মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৪১০ জনের একটি দল অংশ নিয়েছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

দিনভর গণনা শেষে আজ সন্ধ্যায় টাকার পরিমাণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় আড়াইশ বছর আগে পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদ এলাকা জেলা শহরের হারুয়ায় থামেন। তাকে ঘিরে সেখানে অনেক ভক্তকুল সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর সমাধির পাশে এই মসজিদটি গড়ে ওঠে। পরে কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে।

Share this article

Picture of John Doe

John Doe

Lorem ipsum dolor sit amet consectetur adipiscing elit dolor

সদস্যতা

সাবস্ক্রাইব বোতাম টিপে, আপনি নিশ্চিত করছেন যে আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি পড়েছেন।
সোহানুর রহমান সবুজ
চেয়ারম্যান, আব্দুল মোতালিব ফাউন্ডেশন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top